30158

১0. ॥81 রর ৮১৮৮৯, ্্ঠ ১৯০১018বি587ি চি ]

১০২. টিন হকাররা

সঃ ১4৯0810018৬ সি/ক্ঞামতপার্ট

( ভারতীয় শান্-জ্ঞান প্রচারের মুখ্য মাসিক পত্রিকা) ২ন্স অর্ষ (ভান্র ১৩৪৬--শ্রাবণ ১৩৪৭)

প্রধান সম্পাদক-_অধ্যাপক ভ্রীঅমুল্যল্পণ বিছ্যাভুষ্ঘণ্ «ধ , ( চৈত্র) ১৩৪৬ পর্যন্ত ) প্রধান সম্পাদক--রায় বাহাদুর অধ্যাপক জ্ীঞখগেত্দ্রনাথ মিত্র? এম এ, (বৈশাখ, ১৩৪৭ হইতে )

পরিচালক- গ্রীস্তীম্পচক্ত্র প্পীতল5 এম. এ» বি, এল,

০০৯ নি পাট তাপ পাপ জপ পাপ জপ শশী পপ জা পেপসি পপি শিস শিশি শি পিপিপি লিপ সপ্ন উদ ডি রত 9০৭ আন্যা

জ্লীভ্ভাক্সতী পরেন প্রিশ্টার--স্রীগ্ৌরচক্দ্র দেন, বি. কম্‌, ১৭৯১ গ্লীনিকতলা ্রাট, কলিকাতা! ,/

বিষয়-সৃচী

বিষয় লেখক পঞ্জাঙ্ক

আচার্য ভট্ট কুমারিলের পরিণাম--শ্রীহরিদাস পালিত, বিস্তাবিনোদ রঃ ১৭) ৭৭ আবেস্তা-সাহিত্যে উপনয়ন--্রীজগদীশচন্ত্র মিজ্র, এম্‌: এ' ** ২৯৬ ঈশ্বর-সত্বা-বিষয়ক প্রমাণব্রয়-_অধ্যাপক গ্রীগিরীন্ত্রনারায়ণ মল্লিক এম এ, ... ৯৩, ৩২৯ উন্নতির সমাজ শাস্ত্--ড্টর শ্রীবিনয়কুমার সরকার এম্‌. বিগ্ভাবৈভব ...

উনবিংশ শতাব্দীর কয়েকখানি বঙ্গাভিধানের প্রিচয়--প্রীযতীন্ত্রমোহন ভট্টাচার্য এম এ. ৪১, ৮৪, ১৬৫, ৫৩২; ৫৭৭) ৬৬৯

কর্ম-শ্রীমৎ স্বামী শঙ্করতীর্থ যতি '** ২৫৭

কার্য কারণ-_ড্টর শ্রীবটকৃষ্জ ঘোষ ডি. ফিল.) ডি, কিট, ২৭৫১ ৪০১ গণেশ-_-অধ্যাপক শ্রীঅমুল্যচরণ বি্ভাভূষণ ১) ৪৪৯) ৬০৫, ৭০৫ গীতায় ভক্তিবাদ-ায় বাহাছুর শ্রীখগেন্ত্রনাথ মিত্র এম. এ. রঃ ১২৯ জৈন-তীর্থংকর-_-শ্রীঅজিতরঞ্জন ভট্টাচার্য এম, এ. রর ১১ দেবী ছুর্দা-_অধ্যাপক শ্রীঅমুল্চরণ বিগ্বাভূষণ রঃ ১০৫, ২১২ দেবী সরন্বতী--অধ্যাপক শ্রীঅমূল্যচরণ বিগ্ভাতৃষণ রে ৩৫১ দৈব পুরুষকার--শ্রীমৎ স্বামী শঙ্করতীর্থ যতি রর ৫৪৬ দ্বৈত অন্ৈত বর্ণবাদ--্রীমাধিপ্রকাশ আরণ্য :** ৫৯৮ ন্ায়গ্রবেশ_-পপ্ডিত শ্রীঅমরেন্ত্রমোহন তর্কতীর্থ ৩৪৩, ৪২৪, ৪৮৯) ৫৫৩) ৬৯৯) ৬৭৩, ৭২৯ পশ্চিম রাঁড় আবিষ্কৃত লেখমালা-শ্রীহরিদাস পালিত বিদ্যাবিনোদ

গ্রীনারায়ণ রায় বি. এ. বিদ্যাবিনোদ *** ৫৩৭ পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্ম--ম্বামী অক্ষরানন্দ ্ি ১৯১ প্রাচীন ভারতে আমুর্বেদোপনয়ন--কবিরাজ শ্রীরাখাল দাস কাব্যতীর্থ *** ৬৪১ প্রাচীন ভারতে রাজা রাজবৈগ্ভ-_কবিরাজ শ্রীরাখালদাস কাব্যতীর্থ *** ২৯, প্রাচীন ভারতীয় মুদ্রা-শ্রীযুগলকিশোর পাল, বি. এল. রঃ ৭৪৭ বলদেবের গ্রমেয়--গ্রভূপাদ শ্রীঅতঙুলকৃষ্ণ গোস্বামী: ৬৫১ ২১৭ বশিষ্ঠ বিশ্বামিক্র--অধ্যাপক শ্রীমাধব্দাস সাংখ্যতীর্ঘ, এম. রি ৪৫৩) ৫১৩ বাংলায় প্রাচীন ভূ-বিভাগ--অধ্যাপক শ্রীগ্রমোদলাল পাল, এম. এ. .*, ৩২১ বাংলার অতীত গৌরব পাহাড়পুর-শ্রীধগলকিশোর পাল বি, এল. রর ২২

বিস্তাপতির উপমা--ন্বামী ভূমানন্দ ১১,৪৬৬) ৫১৭) ৫৮৯

০/০

বিষয় লেখক পত্রাঙ্ক বীর শৈব ধর্ম--ম্বামী অগদীশ্বরানদ ২২ বৃদ্ধদেবের প্রথম ধর্মোপদেশ--ডক্টর শ্রীবিমলাচরণ লাহা!৷ এম. এ. বি. এল" পি. এইচ, ভি, ২২৭ বৃদ্দাবনের নিকট সমুদ্র ছিল কিনা-_স্বামী ভূমানন্দ রি ১৯৩

বেদান্তদর্শন--শ্রীমতীশচন্ত্র শীল এম.) এ. বি. এল. ৫) ৯৭, ১৭৬; ২২৯, ৩৯১) ৩৬৬১ ৪২১৪ ৪৭১ ৫৪২, ৬২৩, ৬৮৬) ৭৫১

বৈশেষিক বিজ্ঞানবাদ-_ডক্টরশীবটরুষ্ ঘোঁষ ডি, ফিল. ডি. লিট, ৬৪৯, ৭১৯ ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা-_শ্বামী শঙ্করতীর্ঘ যৃতি **, ১৪২ ভক্তের বিরহ-_শ্রীঅরদাগ্রসাঁদ ঘোষ ১৩৫১ ২৬৯, ৩৯৪ ভারত ফুদ্ধ-কাল নির্ণয়-_অধ্যাপক শ্রীপপ্রবোধচন্ত্র সেনগুপ্ত এম. এ. রা ৩৩, ৫২৩ তারত ষুদ্ধ-কাল নির্ণয় ( আলোচন]1 )--শরীধীরেন্ত্রনাথ মুখোপাধ্যায় ১৭*। ২০৯) ২৮৬/৩৩৬১ ৪১২ মধ্যযুগের ভারতীয় চিত্রশিল্পের ভাব সাধনা-_আীঅজিত ঘোষ ৪৬২) ৫৯৩ মাধব-সম্প্রদায়__শ্রীসতীশচন্দ্র শীল এম. এ. বি, এল. ১, ৬৮১ যজ্ঞবেদী যজ্ঞাগ্নি--শ্রীনরেন্ত্কুমার মজুমদার এম. এ. ৩৫৯ যাস্কের সমাজ-_শ্রীজগদীশচন্ত্র মিত্র এম. এ. রঃ ২৮) ৭২ যোগবাশিষ্ঠ শঙ্করাচার্য__স্বামী ভূমানন্দ রঃ ৭৩৭ রঘুনাথ শিরোমণি--শ্রীনলিনবিহারী সাংখ্য-বেদাস্ততীর্থ বি. এ. ১," ১৫৩ শ্রব্যকাব্যে কালিদাস- শ্রীজগদীশচন্ত্র গিত্র এম. এ, ১৫৮) ২৭৫) ২৬৫, ৩২৪ শীমদ্‌ তগবদ্‌ গীতায় কথিত জ্ঞানের ম্বরূপ- শ্রীমৎ স্বামী শঙ্কতীর্থ যতি *** ৬৬৭) ৭১২ শ্রীল বিশ্বনাথ চক্রবর্তী--শীসত্যেন্ত্রনাথ বন্থু এম. এ.) বি. এল, রি ২৩৩ শ্রশ্রীকষ্চ-চৈতন্ত-_-শীসতীশচন্ত্র শীল এম. এ. বি. এল, রে ৪২৮ শ্রীশ্রীবল্পভাচার্য_্রীসতীশচন্ত্র শীল, এম্‌, এ., বি, এল. ১, ৭8৩ শরীশ্রীমধবাচার্ধ_শ্রীসতীশচন্ত্র শীল এম. এ., বি. এল. রঃ ৬১৭ শ্রীশ্রীরামচন্ত্র- শ্রীসতীশচন্দ্র শঈীণ এম. এ. বি. এল, সা ৪৭৫ সংসার- শ্রীমৎ স্বামী শঙ্করতীর্থ যতি ** ৩৮৫

শ্তর আলেক্জাওডার কানিংহাম্‌--ডন্ঈর শ্রীবিমলাঁচরণ লাহা এম. এ.) বি. এল. পি. এইচ. ডি, ... ৪৫৮

বিবিধ প্রসঙ্গ

বিষয় লেখক আচার্য স্বামী বিবেকানন্দ--শ্ীযতীশচন্ত্র শীল এম. এ, বি, এল, *** আষাঢন্ত প্রথম দিবসে- শ্রীযুগলকিশোর পাল বি. এল, ইংরেজী মাস গণনা-পদ্ধতি মংস্কার--প্রনির্মলচন্ত্র লাহিড়ী এম.এ কবি ভবভূতির সংক্ষিপ্ত পরিচয় আবির্ভাব কাঁল-_শ্রীযুগলকিশোর পাল বি. এল্‌, কবীন্ত্র পরমানন্দ-_শ্রীধুগলকিশোর পাঁল, বি, এল, *** গীতাকবচ-_প্রীজিতেন্ত্রনাথ বসু বি. এ. গীতার গীতায় ছন্দ বা ভাষার দোষ (?)- ্রীপূর্ণরন্ধ গীতাপাঠি চীনা ধর্ম কি 1--শ্রীধুগলকিশোর পাল বি, এল, জরতুস্ত্রের কথা- শ্রীন্থশীলকুমার ঘোষ এম. এ, বি. এল, জীরে লম্মান--শ্রীচারচন্ত্র মিত্র এম. এ., বি. এল. জেনা-আবেন্ত! - শ্রীসতীশচন্ত্র শীল এম. এ., বি. এল. জৈনধর্ম গ্রন্ব_শ্রীমতীশচন্দ্র শীল, এম. এ.) বি. এল, প্রাচীন ভারতে শিক্ষাপদ্ধতি--শ্রীসতীশচন্ত্র শীল এম. এ, বি. এল. প্রাচীন ভারতে স্ত্রীশিক্ষা-_শ্রীমতী বীণাপাণি দেবী গ্রাচীন ভারতীয় মানমন্দির_শ্রীনির্মলচন্ত্র লাহিড়ী এম. এ, প্রাচীন ভারতের নাগরিক জীবন-_শ্রীকাঁলিকী প্রসাদ দত্ত এম. এ. বঙ্পীক রহস্ত-_ডঙ্র শ্রীবেণীমাধৰ বড়,য়া এম. এ', ডি. লিটু বাংলার দেশীয় ইতিহাস-শ্রীযুগলকিশোর পাল বি, এল. বৈদিক ধর্মে সংস্কার প্রথা--জীমতী বীণাপাঁণি দেবী বৌদ্ধ সাহিত্যে উপনয়ন--্রীজগদীশচন্ত্র মিত্র এম, এ, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ-_শীসতীশচন্ত্র শীল এম.এ, বি. এল তারতীয় কল! বি্যা-_ শ্রীমতী বীণাপাণি দেবী ভারতীয় বৈজ্ঞানিক সাহিত্য--শীসতীশচন্ত্র শীল এম.এ. বি,এল, ভারতে নৌ-বিষ্ঠা--শ্রীুগলকিশোর পাল বি.এল. মন্থর সমাজে নারীর স্থান--শীকালিকা প্রসাদ দত্ত এম.এ যুদ্ধ আমাদের জ্যোতিষ--শ্রীগণপতি লরকার, বিদ্যারত্ব রাধাতত্ব-অধ্যাপক শীঅমূল্যচরণ বিগ্তাতৃষণ রামায়ণের শিল্পকলা-_শ্রীকালিকা প্রসাদ দত্ত এম.এ, শিল্পশান্ত্র শ্রীসতীশচন্ত্র শীল এম.এ. বি.এল,

পত্রান্ক

৪৩৫ ৫৬৬ ১১৭ ৩৪৮ ৩৬৯ ৩৭২ €০৩ ১১৩ ৭৫৫ ২৪৫ ৪৯৭

৪৭৯ ১৭৭ ১৮৩ ৬৪১ ৬২৭ ৬৮০ ১১৫ ৫৬১

২৪১

স্বৃতির গবেষণায় যোগেন্তর পুরস্কারের স্থান--শ্রীভবতোষ ভট্টাচার্য এম.এ) বি. এল., কাব্যতীর্ঘ ৩৭8

বিষয় লেখক পত্র হিন্দু আইন সংগঠনে ঠাকুর আইন বন্তৃতার” স্থান-_ | প্রীতবতোষ ভট্টাচার্য এম. এ, বি. এল. কাব্যতীর্থ ১০ ৫5৩

বিবিধ সংবাদ

ইত্ডিয়া অফিস লাইব্রেরী-_ ৬৩১ ওরগগজেব সম্বন্ধে নৃতনতথ্য-_ রঃ ৬৩১ তমনুক আবিষ্কার-_কৌশা্বীযুগের নিদর্শন প্রাপ্তি-_ ৬৩২ ত্রয়োদশ শতাব্ধীর তাত্ফলক - ৬৯৫ পৃথিবীর বিভির জাতি-_ ৮৮, ৭৫৮ ভারতবর্ষ - ৮5৪ ৪৪২ মানব সত্যতার স্তর-- '** ৭৫৯ হৈহয় নৃপতিগণের ন্ুবরণমুদ্র--রাঁয়পুর আবিফার _ *** ৬৯৬

সমালোচিত পুস্তক-সূচী

আমরা বাঙ্গালী -অধ্য!পক শ্রীহরিনাধন চট্টোপাধ্যায় এম.এ. গ্রণীত সমালোচক - শ্রীযুগলকিশোর পাল রা ৫৭ আমুরেদ অর দি হিন্দু গিষ্টেম্‌ অভ. মেডিসন্‌ (47111560801 (11617111011 95506111 01 116010116) 1 ডি. বি, ভি. রমন্‌ সমালোচক--শ্রীনপিনবিহারী বন্দোপাধ্যায় ৬৯৮ ইউনিটি থুরিলিজিয়ন (03 (10015 ৬13201060০৮ 01 00৩ ০৫0 5655£010 01 [1166511190101021 001127655 01 01 ০0110 15110751111) 01 11211115 সম্পদিকা-শ্রীযুক্ত! শকুস্তন! শাস্ত্রী এম. এ. বি. লিট

সমালোচক-_আীধুগলকিশোর পাল ৫০৮

ওয়ার্নিং টু দি হিন্দুজ.( 4 দা21111116 00 0০ 1310005 ) - শ্রীমতী সাবিত্রী দেবী প্রণীত * সমালোচক--শ্রীনলিনবিহারী বন্দোপাধ্যায় *** ৭৬৩

কবীর পদ্থ'স্বামী ভূম।নন্দ প্রণীত, সমালোচক--শ্রীযুগলফিশোর পাল ** ৪৪৫ কলিকাতা মিউনিসিপাল গেজেট-_পঞ্চদশ বাধিক সংখ্যা, সম্পদক--শ্রীঅমলহোম-

সমালোচক -গ্রীগৌরচন্ত্র সেন ৪8 ৩৭৯ কলিকাত] মিউনিপিপাল গেজেটের একাদশ বাধিক স্বাস্থ্য সখ্য] ১৯৪* সম্পাদক -শ্রীঅমলহোম

সমালোচক - শ্রীধুগলকিশোর পাল *, ৫৭১

গীতা তত্বাঙ্ক-_হনুমানগ্রসাদ পোদ্দার কর্তৃক সম্পাদিত সমালোচক-_শ্রীসতীশ্চন্ত্র শীল | *+" ৫৮

1/০

বিষয় লেখক | পত্রস্ক চিত্রচ্পু- শ্রীবানেশ্বর বিগ্ভালঙ্কার বিরচিত, সমালোচক- শ্রীন্থধীতূষণ তট্টাচার্য ৬৯৯ তত্ব-সনর্ডঃ-_শীগৌরকিশোর বেদাস্ততীর্ঘ সম্পাদিত, সমালোচক--শ্রীঅন্নদাপ্রসাদ থোষ ৩১৪ দর্শন পরিচয়--শ্রীগোপালচন্্র সেন বিগ্ভাবিনোদ প্রণীত

সমালোচক- শ্রীমতী শচন্ত্র শীল রি ১২১ দার্শনিক বঙ্কিমচন্ত্র--শীহীরেন্ত্রনাথ দত্ত এম. 'এ., বি. এল, বেদাস্তরত্ব প্রণীত সমালোচক-_শ্রীসতীশচন্ত্র শীল *** ৫৭২

পঞ্গাঙ্গ-দর্পণ-_ শ্রীনির্মলচন্ত্র লাহিড়ী এম. এ. প্রণীত। সম(লোচক-_শ্রীগ্রবোধচন্ত্র সেনগুপ্ত ৭৬২ পরিষদ পরিচয় _শীব্রজেন্্রনাথ বন্দোপাধ্যায় কতৃ্কি সঙ্কলিত

সমালোচক - শ্রীধুগলকিশোর পাল *** ৩১৫

প্রেমধর্ম--শ্রীহীরেন্ত্রনাথ দত্ত এম. এ. বি. এল, প্রণীত * সমালোচক-_শ্রীরাধিকাচরণ অধিকারী *** ২৫০

বঙ্গীয় নাট্যশালার ইতিহাস--( ১৭৯৫-১৮৭৬ )-_শ্রীব্রজেন্দ্রনাথ বন্দে পাঁধ্যায় প্রণীত

সমালোচকঃ- শ্রীুগলকিশোর পাল *** ১৮৭ বাংলা মঙ্গলকাব্যের ইতিহাস-_শ্রীআশুতোধ ভট্টাচার্য এম. €, প্রণীত

সমালোচক-_দ্রীধুগলকিশোর পাল *** ৩৭৮ বাংলায় ধন বিজ্ঞান, ১ম ভাগ-অধ্যাপক শ্রীবিনয়কুমার পরকার বঙ্গীয় ধন বিজ্ঞান পরিষদের অন্যান্ত গবেষক কতৃক লিখিত, সমালোচক--শ্রীনলিনীবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায় **' ১২১ এঁ--২য় ভাগ, সমালোচক --শ্রীনলিনীবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায় *** ২৫০ বিজয়নী--ডক্টর শ্রীন্্রেন্্রনাথ দাশগুপ্ত এম, এ. পি. এইচ. ডি, ডি. লিট, প্রণীত

সমালোচক--শ্রীনতীশচন্দ্র শীল ৫৫ ৫০৯ বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা ৯৩৪৭-_শ্রীশরৎকুমার মিত্র কতৃক প্রকাশিত

সমালোচক--শ্রীসতীশচন্ত্র শীল ৫5৮ মীরাবাঈ- স্বামী ভূমানন প্রণীত, সমালোচক-_শ্রীযুগোলকিশোর পাল 88৫ মেময়র্স্‌ অফ. রামকৃষ্জ (17৩ 116100119 ০1 12101073709 )--স্বামী সত্রূপানন? কতৃকি

প্রকাশিত, সমালোচক--শ্রীনলিনবিহা'রী বেদাস্ততীর্থ ৫৭ রিফ্লেক্সন্স্‌ অন্‌ ইত্ডিয়ান ট্রাতেল্স্‌ (51060175 01 1101911 /120515)--

শ্রীচন্্র চক্রবর্তী প্রণীত, সমালোচক-_শ্রীনলিনবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায় ৬৯৮ শরৎ সাহিত্যে পতিতা-_অধ্যাপক মাখনলাল রায়চৌধুরী এম. এ. পি. আর. এস. প্রণীত

সমালোচক-_শ্রীনলিনীনাথ দাঁসগপ্ত ৬৩৪

শীমন্তগবদ্‌ গীতা স্বামী জগদীশবরানন্দ কতৃকি অনুদিত ্বামী জগদানন কতৃক সম্পাদিত সমালোচক-_শ্রীসতীশচন্ত্র শীল ২৫১

//০

বিষয় লেখক পত্রাহ্ক শ্রীদীতারাম নাম বৈতব--্রীহরেজনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এম, এ, বি, এল, কতৃ্ক অনুদিত সমালোচক -প্রীসতীশচন্ত্র শীল ৩৭৯ স্টাডিজ, ইন্‌ দি হিস্টরি অফ. দি বেঙ্গল দুবা, ১ম খণ্ড ১৭৪৯ (9644165 30 01৩ 7196015 রি (15 67881 90081, ০1 [ 1790)--ডাঃ শ্রীকালিকিস্কর দত্ত এম, এ, পি, আর+ এস, প্রনীত। সমালোচক--প্রীফতীন্ত্রমোহন ভট্টাচার্য ১৮৬ সব কুন্ুমাঞ্জলী _শ্বামী গন্ভীরানদ। সম্পাদিত-_সমালোচক--গ্রীসতীশচন্ত্র শীল ৩১৪ শ্পিরিচুয়াল্‌ ম্যারেজ রুল্স্‌ যাও উইমেন্স্‌ প্রোপাটি রাইটস (901576621 1151798৩ 11165 8110 চ0116015 10615 73121815)--এইচ) এম, ব্যানাঞ্জে প্রণীত

সমালোচক - প্রীজিতেন্ত্রনাথ বন্গু। ১২২ হিদুজ, এও মুসূলমান্স্‌ অফ ইত্তিয়া! (916058 100501019115 ০£ 12318) শ্রীঅতুলানদ

চক্রবর্তী প্রণীত। সমালোচক-_শ্রীধুগলকিশোর পাল ৫৭১ হিন্দুন্থানী সঙ্গীতে তানসেনের স্থান-_শ্রীধীরেন্ত্রকিশোর রায়চৌধুরী প্রণীত

সমালোচক--শ্রীঅজিত ঘোষ ৭৬৩

হোয়াট, ইজ. রউ.উইথ.দি ইত্ডিয়ান ইকনমিক্‌ লাইফ.? (ডা11915 12028 আ10 00৩ [7101810 11001101010 1/6 ?-_-ডাঁঃ তি, কে, আর, ভি, রাও, পি-এইচ ডি,

(ক্যাণ্টাব) গ্রণীত। সমালোচক-_-ঢু, 0. ৬৯৯ হোয়াট ইজ. হিম্ুইজ ম্‌ (ডা 15 77111001510 )- অধ্যক্ষ ডি, এম, শর্মা লিখিত

সমালোচক - শ্রীনলিনবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায় ৬৩৪ আমাদের কথা-." ৫৫) ১১৯) ১৮৫১ ২৪৮১ ৩১২১ ৩৭৬ ৪৪৩১) ৫০৬) ৫৬৯, ৬৩৩) ৬৯৭) ৭৬৯ নৃতন গ্রস্থ-সংবাদ ৫৯) ১২৩১ ১৮৯১ ২৫২১ ৩১৬ ৫৮০, ৪৪৬, ৫৯৯, ৫৭২০ ৬৩৬) ৭০১, ৭৬৫ লাময়িক সাহিত্য ৬১১ ১২৫১ ১৯১১ ২৫৫, ৩১৯; ৩৮৩) 88৪) ৫১১১ ৫৭8 ৬৩৮) ৭৫২) ৭৬৭ পুরাতন পত্রিকা ৬৩, ১২৪, ১৯০, ২৫৩, ৩১৭ ৩৮১১ ৪৪৬) ৫৯৯) ৫৭৩, ৬৩৭) ৭০১১ ৭৬৬ সাময়িক সংবাদ ৬৪ ১২৭১ ১৯২ ২৫৬; ৩২৭ ৩৮৪১ 8৪৮ ৫১২; ৫৭৫) ৬০৯) ৭৪) ৭৬৮

নৃতন প্রকাশিত দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থমাল।

. প্রাজাপত্য-হুত্রম্-কবিরাজ শ্রীরাখালদাস কাব্যতীর্ঘ কতৃক সম্পাদিত--ভাদ্র আশ্িন

(দ্বিতীয় অধ্যায়ের তৃতীয় পাঁদ হুইতে তৃতীয় অধ্যায় পর্যস্ত )।

পরষাত্মব-সনর্তঃ- পণ্ডিত প্ীরাধারমণ গোস্বামী বেদাত্তভৃষণ, কতৃক সম্পাদিত অনুদিত-_আর্িন মাম হইতে শ্রাবণ পর্যন্ত

১০০০১

অধ্যাপক শ্রীঅমূল্যচরণ বিস্তাভূষণ

|

হ্ন্দপুরাণের মাহেশ্বরখণ্ডের কেদারখগ্ডের একাদশ অধ্যায়ে মহেশের উক্ভিতে গণেশ- পুজার বিবরণ পাওয়া যায়। এই বিবরণ নিক্োক্তরূপ---

উভয়পক্ষের চতুর্থী তিথিতে গণেশের অর্চনা করিতে হয়। শুরুপক্ষে বিশুদ্ধ শুরু তিল দ্বারা স্নান করিয়! অন্ান্ত আবগ্তক সমস্ত কার্ধ-নির্বাছের পর গন্ধ, মাল্য অক্ষতাদি দ্বার সযত্বে গণেশ-পৃজ। করিবার বিধি অছে। পৃঙ্জা আরম্ভ করিয়া যথাবিধি গণেশের ধ্যান করিতে হয়। মহাদেবের সভায় গণেশেরও বহু আগম আছে; সেইজন্য সব্বরজস্তমোগুণ ভেদে বহুবিধ উপাসক-সম্প্রদায়ের স্থষ্টি হইয়াছে। গণভেদেও বহুবিধ ন।ম নিরুক্ত হইয়। থাকে ) যথা--পঞ্চবক্ত,। গণাধ্যক্ষ, দশবাহ, ভ্রিলোচন, কমনীয়, ক্ফষটিকনিত, নীলক্ এবং গজানন। গণেশের মুখ পঞ্চবিধ। তাহার মধ্যম মুখ গৌরবর্ণ। উহা চতুর্দ্ড ত্রিলোচন। মুখের শুগাদণ্ড মনোজ্ঞ এবং পুষ্কর যোদকান্বিত। তাহার অন্য যুখ গীতবর্ণ এবং অন্যান্য মুখ যথাক্রমে শীল, পিঙ্গল শুভ্রবর্ণ। এই সকল মুখই শুভ লক্ষণান্িত। তীহার দশতুজে পাশ, পরশু, পদ্ম, অগ্কুশ) দত্ত? অক্ষমালা, লাঙ্গল, মুবল, বরদ মৌদকপূর্ণ পাত্র আছে। এইরূপেই তাহাকে চিন্তা করিতে হয়। তিনি লম্বোদর, বিরূপাক্ষ, মেখলান্বিত, যোগাসনে উপবিষ্ট মন্তকে চন্ত্রলেখাধর। তাহার সাত্বিক ধ্যান নরগণকে এইরূপেই করিতে হয়। তদীয় রাজস ধ্য।ন নিয়োক্তরূপে বণিত হইয়াছে তিনি বিশুদ্ধ সুবর্ণসন্নিত, গজবস্তু, অলৌকিক রূপসম্পন্ন, চতুভূজ, ত্রিনয়ন, একদন্ত, মহোদর, ' পাশাস্কুশধারী এবং দত্তে তাহার মোদকপাত্র। তাহার তামসধ্যান নীলবর্ণ। এইরূপে গুণভ্ে তাহার ব্রিবিধ ধ্যান উক্ত হৃইয়াছে। এইরূপ ধ্যানের পর তাহার পুজা, করিবার বিধি আছে। প্রথমে একবিংশতি গাছি দুর্ব! লয়! তাহার ছুই ছুই গাছি দুর্বা গণেশের বিভিন্ন ছুই ছুইটা নাম যথারীতি উল্লেখ করিয়া তাহাকে অর্পণ করিতে হয়। পরে সকল নাম উল্লেখ করিয়া অবশিষ্ট একগাছি দুর্বা প্রদান করিতে হয়। এইরূপ গণেশ নাম উচ্চারণ

শ্রীভারতী [ দ্বিতীয় বর্ষ---১৩৪৬

করিয়া একবিংশতিতে মোদক দানও করিবার নিয়ম আছে। গণপতিপুজার পৃথক্‌ পৃথক দশ নাম এইরূপ কীতন করিতে হয়; যথা---হে গণাধিপ, উমাপুত্র, অথনাশন, বিনায়ক, ঈশপুত্র, সর্বসিদ্ধি-প্রদ/য়ক, একদন্ত, ইভবজ্জ, মুধিকবাহন, তোমাকে নমস্কার। তুমি কুমার গুরু, তুমি সর্বত্র সযদ্বে পৃজনীয় চীনদেশ্ণে গণেস্শৎ

চীনদেশেও গণেশ-পৃজা হইয়া থাকে। কিন্ত কতদিন পূর্বে চীনদেশে গণেশপৃজা প্রবর্তিত হয় তাহ! নিরূপণ করা যায় না। ভারতবর্ষ হইতেই ইহা চীনর্দেশে গিয়াছে, তবে কোন্‌ পথ দিয়! গিয়াছে তাহা! নিশ্চয় করিয়া জানিতে পার! যায় নাঁই।

দুইটা পথ দিয়া চীনদেশে গণেশ-পৃজার গ্রাবেশ-লাভের সম্ভাবনা দেখা যায়। প্রথমটা হইতেছে চীন-তুর্কস্তানের মধ্যবর্তী স্থলপথ দিয়]! অথবা নেপাল এবং তিব্বতের মধ্য দিয়া। এই পথ দিয়াই বোধ হয় সর্বপ্রথম চীনে গণেশ-পুজার কুচনা হয় | গণেশের পুজা হয় ভারতীয় পণ্তিতগণ১ চীনদেশে বহন করিয়! লইয়৷ গিয়াছিলেন, অথবা৷ চীনদেশীয় বৌদ্ধ সন্ন্যাসিগণ ভারতে তীর্থন্রমণ করিয়' ফিরিবার পথে বতর্মান চীনদেশে প্রচলিত রহসাময় গণেশ-পুজার উপযেগী যোগাচার অথবা তারন্রিক-বিদ্যা এদেশ হইতে লইয়া গিয়াছিলেন। দ্বিতীয় পথটা সম্বন্ধে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাঁয়। বৌদ্ধ সন্ন্যাসী ভারত হইতে সমুদ্রপথে চীনদেশে যাতায়াত করিতেন এরূপ বিবরণ যথেষ্ট পাওয়া যায়। তাহারাই তন্ত্রশান্্র তন্ত্রাচার এবং বস্তধাতু গর্ভধাতু ন!মক মহাযান-সাধনার ছুইটা মণ্ডল-_সঙ্গে সঙ্গে অনান্য রহস্তচিত্রমূলক মণ্ডল চীনদেশে প্রবতর্ন করেন ) এই রহস্তচিত্রাঝীর মধ্যে গণেশেরও স্থ।ন ছিল।

চীন জাপান দেশে ছুই প্রকারের গণেশ দেখিতে পাওয়া যার; বিনায়ক এবং কুয়ন-শি-তিয়েন বা কঙ্গি-তেন। বিনায়কের মুতি একক তাহার সঙ্গে আর কিছু থাকিত না। সমস্ত বৌদ্ধ-প্রধান দেশে যেরূপ গণেশ দেখা যায় এই গণেশও তদনুরূপ। এই গণেশ হস্তি-মুণ্ড) দ্বি-বাহ্যুক্ত এবং ব্যত্যন্ত-পাদ (অর্থাৎ পায়ের উপর পা রাখিয়া উপবিষ্ট)। কঙ্গি-তেন ুগ্ম-গণেশ। চীন জাপান ব্যতীত অন্য কোন দেশেই এরূপ মুত দেখা যায় না। পরম্পর সংগ্রথিত ছুইটা হস্তি-মুণ্ড দেবতার দণ্ডায়মাঁনা মুতি দ্বিতীয় প্রকার গণেশের প্রতীক বলিয়া গৃহীত

চীনদেশে গণেশের প্রাচীন প্রতীকের মাত্র ছুইটা মুর্তি পাওয়া গিয়াছে একটা মুর্তি তুনহুয়ঙের গুহা-মন্দিরের প্রাচীরে অঙ্কিত। কুঙংসিএন নামক স্থানে পাহাড় কাটিয়৷ একটী যন্দির নিমর্ণণ করা হুইয়াছে। অপরটা এই মন্দিরের প্রস্তর-মৃতি। ইহা প্ররুত পক্ষে অগ্নয়াকর

[০

* চীনদেশের গণেশ সন্বপ্ধে বহু উপাদান আ্যামিস গেটি সংগ্রহ করিয়! ডাহার পুস্তকে লিপিবদ্ধ করিয়াছেন! বত যান নিবন্ধের অধিকাংশ উপকরণ তাহীর ন্ুদুর্লভ বিবরণ ব্যতীত পাইবার উপায় ছিলনা। কৃতজ্ঞ হ্থাদয়ে 8০ থণ

স্বীকার করিতেছি 21 ড. 29. 29.

্পপী পা শাশাপীিোপ শা পপ পপ সপ

সংখ্যা ] ্‌ গণেশ

উদগত ভান্র্য (1989-:51161)1 711 61110 এর মতে দেওয়ালে অঙ্কিত গণেশগুলি ষষ্ঠ শতাব্ীর প্রথমভাগে অস্কিত হইয়াছিল। এইগুলি কুঙউংসিয়েনের প্রস্তর ভাক্কর্ষের সমসাময়িক [২6৩ 07:01556£এর মতে তুন্‌ হয়ঙের দেওয়ালে অঙ্কিত ছবিগুলির মধ্যে, গান্ধার, গুপ্ত এবং ইরানীয়া ছ্(চ বেশ হুস্পই১) স্্তরাং আমাদের দেখিতে হইবে যে এইগুলি চীনদেশীয় বৌদ্ধগণ কতৃকি অথবা ভারতীয় চিত্রকরগণ অথবা! উভয়ের দ্বারাই অস্কিত হইয়াছিল কিন]।

এই সময়েই অজণ্টার নিখু'ত চিত্রাদি অঙ্কিত হইতেছিল। যে সমস্ত বৌদ্ধ চীনদেশ হইতে ভারতে এই সময়ে তীর্ঘত্রমণে আসিয়াছিলেন বিখ্যাত ভ্রমণকারী সুয়ন্‌ সঙের মত কয়েক- জন চিত্রশিল্পীও যে তাহাদের মধ্যে ছিলেন তাহা নিঃসদদেহ। ইহারা অজণ্টায় আসিয়াছিলেন) এবং তুন-হুয়ঙ হইয়া স্বদেশে প্রত্যাগমন করিয়াছিলেন। অজপ্টার প্রাচীর-গাত্রাস্কিত চিত্র- গুলির ক্রমোননতি চরমোতকর্ষ লাভ করিয়ছে তুন্‌-হুয়ডের ১নং গুহাচিত্রগুলির মধ্যে। এই চিত্রগুলি যে খুব দক্ষ শিল্পিগণ কতৃকি অঙ্কিত তাহাতে কোন সন্দেহ নাই। তবে এই সমস্ত চিত্রের মুখ্যে মৌলিকত্ব বিশেষ কিছু পাওয়া যায় না। এইগুলি দেখিয়া মনে হয় যে এগুলি হিন্দু চিত্রকলার নকল। অবশ্য এই জাতীয় হিন্দুচিত্র বতগানে সম্পূর্ণ বিনষ্ট হইয়াছে

ওয়াই (৬০1) রাঁজবংশীরগণের বৌদ্ মুর্তিগুপির উপরে এবং উভয়পার্খে হিন্দু দেবতা- গণের যে চিত্র প্রাচীর-গাত্রস্কিত আছে, তাহাদের মধ্যে অশ্বচাঁপিত রথে হর্ষ, হংসচালিত রথে চন্দ্র এবং একটা কপোতের (£75/6) মধ্যে নবগ্রহকে দেখা যায়। বৌদ্বমৃত্তির নীচে কামদেব। কামদেবের পার্খে এবং একটু নিয্নদেশে মহারাজলীল তঙ্গীতে উপবিষ্ট গণেশের চিত্র অঙ্কিত। এইরূপ চিত্র বিশেষভাবে ১২০ নং টব গুহায় দেখা যাঁয়।

গণেশের এই চিপ্রগুলি যত্বের সহিত নিরীক্ষণ করিয়া গণেশের অন্ান্ত গ্রতিক্কৃতি গুলিকে পরীক্ষা করিলে বেশ বুঝ! খায় যে ওয়াইবংশীয় রাজগণের পরবর্তাঁ ধুগে এই প্রতিকৃতির অভ্যুদয় তুন্-হুয়ডের বিনায়ক-প্রতিরতি সম্বন্ধে এই উক্তি বিশেষ ভাবে খাটে |

চীন-তুর্কপ্ত(নের এন্ডেয়ারে নামক স্থ!নে (1874575) একটা প্যানেলের (09861) উপর একটা বিনায়ক গণেশের চিত্র দেখা যায়। ইহা অষ্টম শতাবীর। এই চিত্রটার সহিত তুন-হুয়ঙের বিনায়ক প্রতিকৃতির যথেষ্ট সাদৃশ্য দেখা যায়। উহয় চিত্রের মাথার তিন ভাগ চিত্রিত হইয়াছে।, কষুর্ধয় নাপিকাঁদণ্ডের যে স্থান হইতে শুও উথিত হইয়াছে শির-চাতুর্য উভয়ক্ষেত্রেই এমনই সাদৃস্পূর্ণ যে হয় একই ব্যক্তি কৃ উহারা অঙ্কিত, নতুবা একই সম্প্রদায়ের চিত্রকর কতৃক অঙ্কিত হইয়াছে। তুন-হুরঙের গণেশ কক্ষের উপরে লম্বা, মরু, শ্বেত শুগুটী বাম হস্তে যে তাবে ধরিয়া আছেন এন্ডেয়ারের গণেশও ঠিক সেইভাবে একটা লম্বা সরু মূলা ধরিয়া! আছেন। মাথার পাঁগড়ীতে ইর'নীয় প্রভাব বিগ্কমন। পাগড়ীটী সন্মুখের দিকে টানিয়া আনিয়া! উ৬য় গণেশের কপালের উপর বাধ! হইয়াছে। ইহা চীন-তুর্কস্তানের দন্দান-উইলিগের (7381018 [118 ) বিখ্যাত অস্কিত চিত্র বন্জপাণির পাগড়ীর অন্থরূপ। এন্ডেয়ারের গণেশের পায়জামা পারস্তবাসী-

1, নু. 05910 0 9206 1 0. 86.

শ্রীভারতী [1 দ্বিতীয় বর্ষ--১৩৪৬

দের সায় টান করিয়া বাধা। তুন-হুয়ঙের গণেশের পায়জামা! এইভাবে নাই। তাহা মধ্য- এশিয়ার পায়জামার অনুরূপ তুনৃ-হুয়ঙে শু'ড়টা দক্ষিণে ফেরান আর এন্ডেয়ারে বামে ফেরান ) কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই একই তাবে অস্কিত। প্রথমে শু'ড়ের অধেকি পর্যন্ত লগ্বভাবে ঝুলান এবং পরে পার্খে ফেরান উপরদিকে স্কন্ধ পর্যন্ত প্রথমাধ'র সহিত সমান্তরাল ভাবে টানা। তুন্-হু়ঙের চিত্রে দক্ষিণ হ্তটীস্বন্ধের সহিত এক সমরেখায় অবস্থিত। এই হস্ত হইতে শুড়টা একটা পিষ্টক লইতে উদ্ভত। বাম-হস্ত শু'ড়ের ভঙ্গিটী বঞ্ষের নিকট একটু শ্বতন্ত্র রকমের। এপর্যন্ত এইরূপ ভঙ্গিমা আর কোথাও দেখা যায় নাই।

তুন-হুয়ঙের গ্রাচীন-চিত্র কুঙংমিয়েনের ভান্র্য দেখিয়া মনে হয় যে এগুলি সম- সাময়িক। অনন্ত একই কারণে ইহাদের উৎপত্তি হয় নাই। ভারত চীনদেশের মধ্যে সর্বাপেক্ষা গ্রাচীন গণেশের স্তর-মুতি কুউ-সিয়েনের বৌদ্ধ গুহা-মন্দিরের অন্পমাত্র উদগত তাস্করমূর্তিটা। একখানি শিল।লিপি হইতে জানা যায় যে ৫৩১ খ্রীষ্টাব্দে ইহার জন্ম। এই মৃতিটী ব্যত্যন্ত-প|দ। দক্ষিণ হস্তটী উর্ধে উত্তে।লিত হইয়া একটা পদ্ম ধরিয়া আছে এবং বাম হস্তটা একটা চিন্তামণি ধরিয়! ক্রোড়ের উপর ন্থন্ত। শিলালিপিতে ইহাকে হস্তি-প্রেতাধিদেব' বলা হুইয়াছে। ইহার সহিত অন্তান্ত নয়টা নিকঈতর “প্রেতাধিদেব রহিয়াছে ঠিক এই দলটার প্রতীক ৫৪৩ গ্রীন্টান্দে গ্রতিষ্ঠিত একটী বৌদ্ধ স্থৃতি ফলকের নীচে রহিয়াছে ।১ এই স্বৃতিফলকটী পুর্বে ". 1০60 00106%র অধিকারে হিল। বতনমমাঁনে ইহা 3059 রক্ষিত আছে।

ভারতবর্ষে সাধারণতঃ নবগ্রহ অপ্তম।ভুকের মধ্যে গণেশের মুতি দেখা যায়। কিন্ত চীন-দেশে অন্ান্ত নয়টা দেবতা-( প্রেতাধিদেব ) সহিত তাহাকে দেখা যায়। ভারতবর্ষে এই সমষ্টির মাঝে গণেশকে কখনও দেখা যায় না। এই দেবতাগণ নাগ, বায়ু, মুক্তা, অগ্নি, বৃক্ষ পর্বত, মত্ত, সিংহ, পক্ষী এবং হস্তী প্রেতাধিদেব। ইহাদের মধ্যে সিংহ, পঙ্গী এবং হস্তীর প্রাধান্ত চীনদেশীয় বৌদ্ধধর্মে অঙ্গীকৃত হইয়াছে গিংহ এবং হৃম্তীর বিশেষ প্রাধান্ত। সিংহ সমস্তভদ্রের এবং হৃস্তী জ্ঞানের দেবতা] মঞ্জুশ্রীর বাহন।

পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষভাগে অথব! ষষ্ঠ শতান্দীর প্রথমভাগে ভারতবর্ষ হইতে একটা গণেশের কু প্রতিষূতি চীন দেশে আন! হইয়াছিল | কুঙ. সিয়েনের মুতি তাহা হইতেই উদ্ভূত বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। সে ধুগে চীনদেশে হস্তী একেবারে ছিল না! বলিলেই হয়, দ্ুতরাং চীন ভাক্করের পক্ষে তখন হিন্দু-ধারণ|র অস্তুরপ গণেশকে মৌলিকভাবে নিমাঁণ করা অসম্ভব ছিল বলিলেই হয়। |

চীনাগণের মধ্যে তাহাদের দেব-দেবীর গ্রতিমুতি পুজা করিবার প্রথা ছিল না। সম্ভবতঃ চীন হইতে আগত তীর্থযাত্রীরা ভারত হইতে ইহা! গ্রহণ করিয়াছিলেন। বিশেষতঃ গণেশের মুতিপৃজ। তাহাদের পক্ষে গ্রহণ করা স্ব। ভাবিক ছিল, কারণ হস্তিমুতিকে তাহার! বুদ্ধের বলিয়া মনে করিতেন। (ক্রমশঃ)

1, চ. &1589180085 5০১1- [0 0১05,

বেদান্ত দর্শন

( পূর্বানববৃত্তি ) শ্রীসতীশচজ্্ শীল এম. এ. বি. এল্‌,

বেদান্ত দর্শনের পূর্বোক্ত প্রতিপাদিত বিষয়গুলিকে আমরা নিয়লিখিত কয়েকটা স্থল তাগে ভাগ করিতে পারি-(১) অনুবন্ধচতুষ্ট় (২) গ্রমাণ (৩) অধ্য।ত্ব বিগ্ভা (8) ব্রঙ্গাবাদ (৫) জগৎবাঁদ (৬) মনস্তত্ববাদ (৭) মাধনা! (৮) যুক্তি। বেদান্ত দরনেন প্রত্যেক ভাষ্যকাঁরই এই ৮টীবিষয়ের সম্বপ্ধে আলোচনা করিয়াছেন এবং এইগুলির প্রসঙ্গ ক্রমে অন্যান্ত বিষয়েরও অবতাঁরণ করিয়'হেন। এইগুলর সম্বন্ধে হ্ত্রকার বাদরায়ণের মতব|দ কি তাহা আলোচনা করিবার পূর্বে আমরা প্রত্যেক সম্প্রদায়ের আচার্যদিগের মতবাদগুলি হিশেবণ করিব। তাহা হইতে বুঝিতে পারা যাইবে যে এধিনয়ে কত রকম ব্যাখ্য। হইতে পারে। তারণর মর্বশেষে সত্রকার বাদরায়ণের মত নির্ণয়ের চেষ্টা করা হইবে। পূর্সেই বেদান্ত দর্শনের ৯২টা বিভিন্ন সম্প্রনায়ের বিষর উল্লিখিত হইয়াছে এক্ষণে প্রত্যেক সন্প্রণায়। তাহার মতবাদ, আচা্দিগের বিষয় আলোচিত হইতেছে

(ক) কেকবলাছ্ৈতবাদ (১) গ্ৌড়পাদ

গ্রকৃতপক্ষে আচার্য গৌডপাদকেই এই মতের গ্রথম প্রবতক বলা যাইতে পারে, কারণ প্রাচীন আচার্যদিগের মধ্যে তাহার গ্রস্থগুলি বতমানে পাওয়া! যাঁয়। শঙ্গরাঁচার্ষের শাঁরীরক ভাষোর মধ্যে আমরা বাতিককার উপবর্ষের নাম দেখিতে প1ই। ইনি পাণিনর গুরু ছিলেন এবং ্রন্মস্ত্রের উপর একখানি বস্তি রচনা করিয়াছিলেন কিন্ধ তাহা একণে আর পাওয়া যায় না। তদ্যতীত স্ুন্দর-পাণ্য নামধেয় অন্ত এক প্রাচীন আচার্ষের কথ!ও শঙ্করভাম্যের মধ্যে আছে (ত্র স্থঃ ভাঁঃ ১.৪) কিন্তু তাহার রচিত কোন গ্রন্থের উল্লেখ নাই এবং পাওয়। যায় ন|। সুতরাং গোঁড়পাঁদকেই আঁমরা এই সম্প্রদায়ের গ্রথম আচার্ধ বলিয়া! গণন! করিতে পারি। ম!$ক্য- কারিকা হইতে তাহার মতবাদকে ৫টা বিষয়ের উপর স্থাপিত বলা যাইতে পারে--(১) বন্ধ আত্মার একত্ব স্থাপন (২) মায়াবাদ (৩) পরমসন্তা কারণ|তীত (8) জ্ঞানই মুক্তির প্রধান সহায় (৫) বিজ্ঞানবাদীদের শৃন্ভবাদ অপ্রামাণিক। প্রহ্গসত্যং জগনিথ্যা জীবো ব্রদ্ধেৰ নাপরঃ” ইহাই এককথায় অদ্বৈতবাদের মূলতত্ব। ব্রহ্মই পরমসত্তা, আত্মা অর্থ।ৎ জীব ব্রহ্ম অভিন্ন সুতরাং জীবাত্মা পরমার অংশ নহে, বিকাঁর নহে বা পৃথক নহে।

গৌড়পাদের মতবাদে বৌদ্ধদর্শনের বিশেষতঃ বিজ্ঞানবাদী বৌদ্ধদিগের প্রভাব বিশেষ- রূপে পরিলক্ষিত হয়। তাঁহার আবির্ভাব কাল যদি ৫৫০ খুঃ ধরা যায় তবে তাহা বৌদ্ধদিগের বিশেষ প্রতিপত্তির সময়, হুতরাং তাহার মতবাদে এই প্রকার বৌদ্ধপ্রভাব অস্বাভাবিক নহে।

্ীভারতী [ দ্বিতীয় বর্ষ--১৩৪৬

যাহা হউক, মনস্তত্বই তাঁহার দর্শনের ভিত্তি বলা যাইতে পারে। জীবাত্মাকে বিশ্লেষণ করিলে দেখা যায় যে সাধার্ণতঃ ইহার তিনটা অবস্থা--জাগ্রৎ, স্বপ্ন এবং ুযুণ্তি। দৃশ্বত্ধ সামান্ঠে তাহার নিকট জাগ্রৎ এবং স্বপ্ন উভয় দৃশ্যই সমান, তবে উহ্বাদের মধ্যে পার্থক্য এই যে স্বপ্রের দৃশ্য জাগরণ মাত্রে বিলীন হইয়া যায় এবং উহ! কেবল একছন দ্রষ্টারই নিজস্ব, পরস্ত জাগরণের দৃশ্ত সাধারণ। কিন্ত সেকারণ স্বগ্ধের দৃশ্য দৃশ্য নহে কথ] বলা যাইতে পারে না। কারণ ইহাও দেখা যায় যে জাগরণের দৃশ্ঠও আত্মর অন্ত একটী অসাধারণ অবস্থায় (তৃরীয়াবস্থায় ) মিথ্যা হইয়া! যায়। তাহ! ছাড়া হ্ুযুণ্তি অবস্থাও জাগ্রৎ এবং স্বপ্ন উতয় অবস্থারই বাধক (5886102) হয়। আরও একটা কথ! এই যে আমর] যে জাগ্রৎ দৃষ্তকে সর্বসাধারণ বলিতেছি তাহা কি অপর লে।কের মনের অবস্থাগুলি নিজে অনুভব করিয়! বলিতেছি ? তাহা নহে, পরস্ত তাহাদের কথায় বিশাস করিয়! ধারণ করিয়া লইতেছি। সুতরাং জাগ্রৎ এবং শ্বপ্নৃশ্ত শ্ব শ্ব সীমার মধ্যে উভয়েই সত্য এবং অসংলগ্ন নহে, কারণ স্বপ্নের পিপাসাও স্বপ্নের জলের দ্বার। নিবা- রিত হয়। আবার তুরীর়াবস্থার তুলনায় উতয় দৃশ্ঠই মিথ্যা। দ্ুতরাং তাহার মতে জীবন একটা জাগ্রত শ্বপ্নমাত্র। যাহা ভূত, বতমান এবং ভবিষ্যৎ ত্রিকালেই সত্য তাহাকেই সত্য বলা যাইতে পারে। “আদাবস্তে যন্নাস্তিবতম![নেইপি তততথা” অর্থাৎ যাহা অতীত ভবিষ্যৎ কালে সত্য নহে, বতমি।নেও তাহ সত্য নছে। এস্থলে জিজ্ঞাসা হইতে পারে, যে সমুদয় দৃশ্য আমাদের মন বহির্জগৎ্ হইতে গ্রহণ করে তাহা কি আলঙ্বন বিহীন? তদুত্তরে তিনি বলিতেছেন আত্মা বা ব্দ্মই এই সমুদয় দৃশ্তের আলম্বন। স্বকলিত মায়! দ্বারা আত্মা এই বিভিন্ন নামরূপধেয় জগতের স্থষ্টি বা কল্পন করিতেছেন “ক্নয়ত্যা ত্বনাত্মানমাক্ম। দেবঃ স্বমায়য়া” এস্থলে দেখা যাইতেছে তিনি জীবজগতের মিথ্যাত্ব স্বীকারসত্বেও বৌক্ধদের শূন্যবাদ গ্রহণ করিতেছেন না। এক্ষণে প্রশ্ন এই মায়া কি? তাহার উত্তরে তিনি বলিতেছেন, ইহা সৎ নহে, অসংও নহে, এবং সদসৎও নহে অর্থাৎ অনির্বচনীয়া। এবং ব্রহ্গাটআ্বৈক্যজ্ঞানেই উহ! বিনষ্ট হয়-_তচ্চ সৎ নাসৎ, নাপি সদসৎ, ভিন্নম্‌ নাভিন্নম, নাপি ভিন্নাতিনং কুতশ্চিৎ; নিরবয়বম্‌ সাবয়বম্‌ নোভগ়ম্‌, কেবলবন্গাক্মৈক্যতবজ্ঞনাপনোগ্যম্‌ | অবশ্য একটা জিনিষ সৎও নহে অসৎও নহে ইহা! পরম্পরবিরদ্ধ এই প্রকার মনে হইতে পারে, কিন্তু যখন পরিদৃশ্যমান জীবজগৎ আমাদের নিকট তাহাদের অস্তিত্বের পরিচয় দিতেছে, তখন তাহাকে অমৎ বলা যাইতে পারে না। আবার যখন পুর্ণ্তানে ইহা! বিলীন হইয়! যায় তখন তাহাদিগকে সৎও বলা যাইতে পারে না, হ্ুতরাং ইহ্‌1! অনির্বচনীয়া। বেদাস্তের যে মায়াবাদ শঙ্কর দর্শনের মধ্যে মহীকুহাকারে পরিণত হইয়াছে, তাহার অঙ্কুর আমরা গৌড়পাদের মতবাদে দেখিতে পাইতেছি।

সৎ বস্ত তাহা! হইলে কি? তাহার মতে যে বস্ত অজ, যাহা! স্বরাট্‌ অর্থাৎ যাহার সত্তা অনন্যসাঁপেক্ষ এবং যাহার সত্তা কখন ধ্বংস বা বিকারপ্রাপ্ত হয় না, তাহাই সৎ। একমাত্র আত্ম! বা ব্রঙ্মই এই প্রকার সত্বন্ত হইতে পারে ।'তবে আত্মার প্রকৃতম্বরূপ সৎ, কিন্ত ব্যক্তিগত বা জীবাত্বভাবে সৎ নহে। এক্ষণে প্রশ্ন হইতে পারে যদি একই আত্ম! সমুদয় জীবের মধ্যে বতর্মান।

প্রথম সংখ্যা ] বেদাস্ত-দর্শন

তবে একের সুখ দুঃখে অন্তের তাহ] অন্ুতব হয় না কেন? ততুন্তরে তিনি বলিতেছেন যেমন আকাশ যদিও এক এবং অবিচ্ছি্, তথাপি এক ঘটাকাশাস্থিত ধূম বা মলিনতা অন্য ঘটাকাশে বতান থাকে না, ইহাও তদবৎ। জীবাত্মা পরমাত্মার সম্বন্ধ কি প্রকারের? ইহা! অংশাংশী বা কার্যকারণ সম্বন্ধ নহে; অর্থাৎ জীবাত্ম। পরমাত্মার বা বরদ্ষের অংশ নহে, ব্রহ্ম হইতে সমুড্ভূত নহে বা ব্রন্মের বিকার নহে। অত্তঃকরণাদি উপাধি জন্য ইহ! পরমাত্বা হইতে ভিন্ন প্রতীয়মান হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ইহা ব্রহ্ম হইতে অভিন্ন।

তাহার মতে পরমাত্বা কাঁরণাতীত। কার্যকারণবাদ ( 1550 0805811 ) তাহার নিকট একটা হেঁয়ালী মাত্র। ব্যবহারিক ক্ষেত্রে আমাদের দৃশ্ঠাদির নিয়ম এবং পরম্পর সম্বন্ধ দেখিতে পাই বটে কিন্তু যদি গুক্ম ভাবে আলোচনা করা যাঁয়, দেখা যাইবে কার্য-কারণ- বাদ অসস্ভব। কারণ কার্ষের হম্বন্ধ কি? তাহারা সমসাময়িক হইতে পারে না। কার্য অবশ্ত কারণের অন্ুগমন করিবে কিন্তু বীজ্জাঙ্ক,রের দৃষ্টান্তে আমরা বিষয়ে ঠিক্‌ ধারণ! করিতে পারি না।* কোন বস্তকে আমর] কার্য বলিতে পারি না যদি তাহার কাঁরণ না জানি; আবার যাহা কোন একটী বস্তুর কারণ তাহা নিজে অপর বস্তুর কার্য। তাহা হইলে হয় আমাদিগকে বলিতে হইবে যে এধারার অন্তত নাই কিংবা একটা আদি কারণ ধরিয়া লইতে হইবে যাহার কোন কারণ থাকিতে পারে না অর্থাৎ যাহ! চিরন্তন এখন প্রশ্ন হইতেছে যাহা চিরন্তন এবং অনাদি তাহা! কি প্রকারে নিজের স্বভাবের ব্যতিক্রম না করিয়া কার্ষে পরিণত হইতে পারে? তাহা অসস্ভব। স্থতরাং এই কার্ষকারণবাদ কেবল ব্যবহারিক জগৎ সাপেক্ষ মাত্র। প্রকৃতপক্ষে কোন সদ্বস্ত হইতে স্থষ্টি অসম্ভব এবং অসৎ বস্ত হইতেও সৃষ্টি হইতে পারে না; সুতরাং স্থ্টিই অসম্ভব (স্বতো বা পরতোবাপি নকিঞ্চিৎ বস্ত জায়তে )। আমর যাহা! স্থষ্টি দেখিতেছি, তাহা গন্ধরবনগরবৎ মিথ্যা (স্বপ্নমায়ে যথা দৃষ্টে গন্ধরবনগরং যথ|। তথা বিশ্বমিদং দৃষ্টং বেদান্তেযু বিচক্ষণৈঃ) আমর! যে নিত্য নানাত্বের অনুভব করিতেছি তাহা মায়ানিমিত্ব। গৌড়পাদের দর্শনে মায়' শব্দ বিভিন্ন অর্থে প্রযুক্ত দেখিতে পাওয়া যায়। যথা-_

“কল্পয়ত্যাত্বনাক্মানমাত্ব। দেব স্বমায়য়।' “মায়ৈষ্য তন্ত দেবন্ত যয়ায়ং মোহিতঃ স্বয়ম্”

আবার কখনও মিথ্যা এই অর্থে ব্যবহার করিয়াছেন (*স্বগ্রমায়ে যথা দৃষ্টং” অলাতশাস্তি দৃষ্টান্ত ইত্যাদি) আবার কখনও ইহ! অনির্বচনীয়া এই অর্থে ব্যবহার করিয়াছেন (তচ্চ সৎ নাস, নাপি সদসৎ ইত্যাদি )। আচার্য শঙ্কর পরবতিকালে মায়াকে অনির্বচনীয়া এই অর্থেই ব্যবহার করিয়াছেন এবং মায়াবাদকে দার্শনিক তিত্তির উপর স্থাপিত করিয়াছেন। গৌড়পাদ জগতের সত্তা সম্বন্ধে অনেকটা বিজ্ঞানবাদী বৌদ্ধদের মতাবলম্বী, কিন্তু শঙ্কর জগতের ব্যবহারিক সত্তা এবং পারমাধিক সন্তা স্পষ্ট তাবে দেখাইয়াছেন। ইহাই সংক্ষেপে গৌড়গাদের মতবাঁদ।

(ক্রমশঃ )

উন্নতির সমাজ-শান্ু ডক্টর শ্রীবিনয়কুমার সরকার এম্‌. এ. বিগ্যাবৈতব

১৯০৫ সালের গৌরবময় বাঙালী বিপ্লবের পর আজ তেত্রিশ-চৌব্রিশ বংসর চলিতেছে পশ্চিমা হিসাবে ইহা! এক পুরুষ কাল। এই এক পুরুষে গোট৷ ভারত, ভারতগ্রী আর শ্রীভারতী সবই অনেকখানি বাড়িয়াছে। আমাদের বাংলাদেশ আর বাঙালী জাতিও বেশ-কিছু বাড়িয়াছে। কিন্তু বাচিয়ার্ছেিউভট।, বাড়িযাছে কোন্-কোন্দিকে, জীবনের গতিভঙ্গী কিরূপ, গতির হার কিরূপ, ইত্যাদি বিধয়ে বাংলায় অথবা বাংলার বহিভূতি ভারতে বেশী আলোচন! হয় নাই। এই সকল দিকে আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। বাড়তি-বিজ্ঞান বা উন্নতি-তত্ব সমাজ- শাস্ত্রের এক বড় আলোচ্য বিষয়

এমন অনেক লোক আছেন ধীহারা “আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ” হইয়া বসিয়া থাকেন। তাহাদের মেজাজ অল্লেই, নেই অল্লপেই,_সন্থষ্ট। অধিকন্ত, যেসকল বাড়তি বা উন্নতি তাহাদের নিজ জীবনের সঙ্গে জড়িত অথবা যে সকল বাডতির ধাপগুল। তাহাদের পরিবারের ফোনো-নাকোনো লোকের কৃতিত্ব বা কীন্তির পরিপোষক, সেই সকল উন্নতি-বাঁড়তির আ/লাচন! কিষ| মম[পোচনা এই ধরণের লোতের মেত্রার্গে ঠাই পায় না। পাইতে পারে না।

কিন্ত প|চ কোটি বাঙালীর কথা অথব! পয়ক্রিশ কোটা ভারতীয় নরনারীর বতশ্ান আগামী ভধিগ্যৎ যাঁহাদের চিন্তা ঠ1ই পায় তাহাদের পক্ষে এইবূপ “আঙ্কল ফুলে কল- গছ”--হুইয়! বলিয়া থাক শম্তবপর নয়। তাহারা বরং কলাগাছগুলাকে বাশের কঞ্চি মাত্র অথবা এমন কি মামুলি দেশলাইয়ের কাঠি ছাড়া আর কিছুই ভাবিতে পারে না। বাড়ের ঘঃড়ে মশাটা ঘে মশামাত্র এই সামান্য কথাটা মশ1! মশায়ের মনে থাকে না। কিন্তু তার আশে-পাশে ইছুর-টিকটিকি, গরু-বলদ, কুকুর-বিড়াপ সকলেই মশার হামবড়ামি দেখিয়া পরম্পর হাসাহাসি করে।

বাঙালীর যৌবনশক্তিকে আজ আত্ম-সমালোচনায় অগ্রসর হইতে হইবে। আত্ম- সমালোচনার জন্ত স্বত্ব আত্মিক আন্দোলন ঘুবক তারতে অনুষ্ঠিত হওয়' আবশ্তক। সমা- লোচনার কষ্টিপাথর সম্বন্ধেও এক|ধিক আলোচনা-সমালোচনা চাই। ১৯০৫ এর পূর্বেকার ঘুবক ভারত আর যুবক বাংল! কি ছিল, ১৯৩৯ সনের যুবক ভারত আর যুবক বাংলা কোথায় আসিয়া ঠেকিয়াছে, এই সকল বিষয়ে মগজ খেলাইবার জন্ত চাই গণ্ডা-গণ্ডা গবেষক, লেখক, বক্তা অন্ান্ত জ্ঞান-বিজ্ঞানের মতন উন্নতি-বিজ্ঞান বা বাড়তি-বিজ্ঞানের জন্যও যুবক বাংলায় আর যুবক ভারতে বাদানুবাদ, তর্কাতর্কি, আর মতামত পুষ্ট হইতে থাকিলে আমাদের একটা মস্ত অতাব পূরণ হইবে

উন্নতি-বাঁড়তি মাপ! সম্ভব আধিক কমক্ষেত্রে চিন্তাক্ষেত্রে। এই জরীপ চালানো

যাইতে পারে রাস্্রীক আন্দোলনের কম চিন্তা সম্বন্ধে। তাহ! ছাড়া জ্ঞান, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, কৃষ্টি ইত্যাদি নানাপ্রকার বিদ্যা কলার ক্ষেত্রে ভারতসম্তান, আর বঙ্গনস্তান এই এক পুরুষে কতখানি

প্রথম সংখ্যা] উন্নতির সমাজ-শাস্তর

আগাইয়৷ আসিয়াছে তাহাও মাপাজোকা চলিতে পারে। জরীপ করিবার জন্য লোক চাই বহুবিধ, বহু সংখ্যক এবং বছ মেজাজের মনে রাখিতে হইবে যে, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই আমাদের আসল জিজ্ঞান্ত,_এ কালের ভারত-পস্তানের৷ কলাগাছ না কঞ্চি, না দেশলাইয়ের কাঠি। বলা বাল্য, কতকগুলা! নিলজ্জ, বেহায়া, খাতির-নদারৎ, ঠোটকাট। সমজদার চাই। এই ধরণের নয়া-নয়া নিলজ্জ বেহায়া! সমালোচকের উপর আগামী তিন পীচ-সাত বৎসরের বঙ্গজীবন তারত-জীবন নির্ভর করিতেছে বাড়তি বা উন্নতির চাঁবী এই সব বেহায়াদের হাতে সমাজ বিজ্ঞানের আসরে বেহায়াদের ঠাই খুব উচ্চু। _. আত্ম-সমালোচনা, বেপরোয়া, নিরপেক্ষ, ঠোটকাটা, খোলা-মাঠের বিশ্লেষণ ছাড়া কোনো লোক কেনোদিন একটা বড়-কিছু করিতে সমর্থ হয় নাই। একট] দল, সঙ্ঘ, সমাজ, দেশ ইত্যাদি বৃহত্তর সত্তাকে ঠেলিয়া তুলিবার জন্যও জরুরী ঠিক এই ধরণের খোলা মাঠের সম[লে|চনা। প্রতি মুহুতে"ই চাই প্রত্যেক ব্যক্তি সঙ্ের জন্য ব্যক্তি-নিরপক্ষ, সঙ্ঘ-নিরপেক্ষ পরিদর্শন $ পর্যালোচন। সর্বদাই প্রত্যেক আত্মিক অনুষ্ঠান, প্রতিষ্ঠান আন্দোলন এই ধরণের সংশোধন সংমার্জনের জন্য বসিয়া আছে। নিজকে শুধরাইবার জন্য মেরামৎ্ করিবার জন্য যে লোকটা, যে দলটা, যে প্রতিষ্ঠা নটা সর্বদ' প্রস্তুত নয় তাহার কপালে উন্নতির বরাদ্দ শুন্য এই ধরণের সংশোধন, সংমার্জন শুধরাঁণো ইত্যাদি কাজের জন্ত ওস্তাদ কাহারা হইতে পারে? আমার বিশ্বাস, ছুই ধরণের অথবা ছুই বয়সের লোক এই সকল ঠোটকাট! সমালোচন। খাতির-ন্দারৎ প্রশ্নীপ্রশ্মি করিতে অধিকারী প্রথমতঃ যাহার! মোটের উপর ১৬ হইতে ২০ বয়সের তরুণ-তরুণী, এক কথায় যাহারা ইন্কুল-কলেজের আওতা এখানে পার হয় নাই, বস্তৃতঃ যাহারা এখনো ইস্কুল-কলেজের খানিকটা নীচের সিপড়িতেই পায়চারি করিয়া থাকে। বতমান দুনিয়াটা যে নেহাৎ অপদার্থ একথা চিন্তা করার এবং বিশ্বাস করার ক্ষমতা একমাত্র তাহাদের সংসারের অধিকাংশ লোকগুল] যে স্বার্থপর, পরশ্রীকাতর, ম্যাড়াকান্ত, “আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ” এইরূপ মত প্রচার করিবার মতন বুকের পাট! তাহাদের পক্ষে অতি স্বাভীবিক। কোনো নামজাদা লোকের দিকে তাকাইয়া তাহার! মত গ্রকাশ করিতে বাধ্য হয় ন'। কোনে! নামজাদ] লোকের হ।সির উপর তাহাদের জীবনের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে না। তাহারা তাঁবিতে সমর্থ যে, ছুনিয়াটা যে তাবে চলিয়া আসিতেছে তাহাদের হাতে আসিলে ছুনিয়া সে ভাবে চলিবে না। তাহারা নামজাদাগুলাকে কলা দেখাইগ্না একদম অজানা পথে ছুনিয়াটাকে হিড় হিড় করিয়া টানিয়া৷ লইয়া যাইবে। এইরূপ চিন্তা করা আহাম্মুকি স্থইতে পারে, অলীক কল্পনা হইতে পারে, চরম বেআছুবি হইতে পারে। কুছ পরোয়া নাই। কিন্তু ছুনিয়ার সকল দেশে সকল যুগে ১৬-২* বৎসরের তরুণ-তরুণীরা সংসার্পের দিকে তাকাইয়াছে আর বলিয়।ছে,--“সবুর কর্‌ ছুনিয়া, আমরা তোকে নাস্তানাবুদ করিয়া ছাড়িৰ”। পৃথিবীর উন্নতির গোঁড়ার কথা! এইখানে এই আহাম্মুকি-বেআছুবির ভিতরই আধ্যাত্মিক দস্ভল ফিল্বিল্‌ করিতেছে ১৯*৫ সনের যুবক বাঙলায় আর যুবক ভারতে যাহারা ১৬-২* বৎসরের

১০. প্রীভারতী [ দ্বিতীয় বর্ষ-_-১৩৪৬"

লোক ছিল তাহাদের মধ্য হইতেই আত্মপ্রকাঁশ করিয়াছে বিগত সাড়ে তিন দশকের কম বীর চিস্তাবীরগণ। এই সকল কম বীর চিস্তাবীরের কিন্মৎ যাহাই হোক না কেন, তাহারা ১৬-২* বৎসর বয়সে অন্ততঃ একবার স্বপ্ন দেখিয়াছে যে, ছুনিয়াটাকে উপ্টাইপ্া- পাণ্টাইয়া ভাঙ্গিয়া-চুরিয়া ছুরপ্ত করিবার একতিয়ার একমাত্র তাহাদের

আজ ১৯৩৯ সনের যোল হইতে বিশ বৎসর বয়সের তরুণ-তরুণীদের তিতর যাহার! কল্পনা! করিতেছে, যে ১৯০৫ সনের পর হইতে আজ পর্যন্ত যাহা! কিছু ঘটিয়াছে তাহার কিন্মৎ এক দামড়িও নয়, একমাত্র তাহারাই আগামী তিন-পাঁচ-সাত বৎসরের বাঙালী অ-বাঙালী ভারতীয় সমাজকে চাবকাইয়! বড় করিতে পারিবে

এইবার বলিব দ্বিতীয় ধরণের বা বয়সের লোৌকের কথ]। যাহাদের বয়স বৎসর ছাব্বিশেক

পার হইয়াছে অথচ যাহারা এখনে! ব্রিশকে জবাব দেয় নাই তাহাদের কথা বলিতে চাই। এই লোকগুলা ইস্কল-কলেজ জাতীর পাঠশলার লেখাপড়া খতম করিয়াছে তাহাদের চোখের সম্মুখে পড়িয়া! রহিয়াছে ছুনিয়া। এই সকল লোকের ভিতর যদি মানুষের মতন মানুষ থাকে তাহা হইলে তাহারা কি করিবে? তাহারা কোনো নামজাদা জন-নায়কের, কর্মবীরের বা চিন্তাবীরের পেছন-পেছন ছুটিয়৷ নিজের বা! দেশের ভবিষ্যৎ গড়িবার চেষ্টা করিবে না। তাহারা বসিবে সকল প্রক'র হোমরা-চোমরাগুলাকে জরীপ করিতে।__দেখিবে রাম কিঞ্চিৎ-কিছু করিয়াছে বটে তবে বেশী কিছু নয়। তাহারা বলিবে, আবদুলের কিনম্মৎ নেহাৎ্ মন্দ নয় তবে হাতী-ঘোড়াও নয়, ইত্যাদি নাক্‌ সি'টকানো তাহাদের ব্যবসা হইবে না। তাহাদের ব্যবসা হইবে “কত ধানে কত চাল” ব্তনিষ্ঠরূপে বুঝিয়! লওয়া। তাহাদের লক্ষ্য থাঁকিবে বিগত ৩৩1৩৪ বৎসরের সকল প্রকার ভারতীয় বাঁঙালী কাজ এবং চিন্তাগুলাকে বাঁজাইয়া দেখা বাজাইতে বাজাইতেই তাহারা দেখিতে পাইবে যে, আজ পর্যন্ত বেশী-কিছু সাধিত হয় নাই। লাফালাফি করিবার কিছু নাই। চাই নতুন লোক, চাই নতুন উন্মাদনা, চাই নতুন স্বার্থত্যাগ, চাই স্বাধীনতার নতুন আকাক্জা, চাই স্বদেশসেবার নতুন অধ্যাত্মিকতা।

যে কয়টা লোক কাজ্ত বা চিন্তা করিয়াছে তাহাদিগকে স্বর্থে তোঁলাও বেআঁকুবি আবার নরকে পাঠানোও আহাম্মকি। কঞ্চিকে কঞ্চি বলা উচিৎ। কঞ্চিটি! কলাগাছও নয়, দেশালাইয়ের কাঠিও নয়। আজ চাই গণ্ডা-গণ্ডা, ডজন-ডজন্‌ ২৬-৩০ বত্সরের লোক যাহারা নতুন-নতুন.জ্ঞান কর্মের ক্ষেত্রে নয়া-নয়া ছুনিয়া স্থষ্টি করিবার জন্ত ঝাঁপাইয়া পড়িবে, আর ভাবিবে যে, ১৯০৫-৩৯ এর লোকের! যেখানে পাইয়াছে শতকরা ১৫-২৫ মাত্র সেখানে তাহারা পাইয়া ছাড়িবে, কমসে-কম ২৫-৩৫।; বৎমর বার-তের হইল একগ্রস্থ *ত্যাদর়ড়র দর্শন” ঝাড়িয়াছিলাম (“নয়াবাংলার গোড়াপত্তন” প্রথমভাগ দ্রষ্টব্য )। ত্যাদড়ের দর্শনেরই এক কীচ্চা আজ আবার পরিবেষণ করা গেল। সুরু হউক একালের তাজ! বাংলার আবার এক নয় জীবনের ধারা। দেখ! যাউক ভারতী, শ্রীভারতী আর বঙ্গ-গৌরব কোথায় গিয়া ঠেকে।

জৈন-তীর্ঘংকর প্রীঅজিতরঞ্জন ভট্টাচার্য এম্‌. এ.

মান্য দুঃখের বাধন হইতে ক্রাণ পাইবার জন্য অবিরত চেষ্টা করে, সে ভাবে এই বাধন কখনও স্বাভাবিক নয়, যদি ইহা! স্বাভাবিক হয় “তবে তাহ হইতে কখনও তাহার ছাড়া পাইবার সভ্ভাবন! নাই, কারণ ম্বতাব, ইহা কথুন্নও অন্যরূপ হইতে পারে না, আগুন আগুনই, ইহা গরম, সবসময় ইহা! গরমই থাকিবে, তাই সে স্থির করিল, তীহার বাধনটী হইয়াছে আগন্তক, কোন বাহিরের কারণে ইহ] ঘটিয়াছে, আয়না স্বভাবতঃ পরিষ্কার, বাহিরের ধুলায় ময়ল! হয়, ঘষিলে মাজিলে আবার পূর্বের মত পরিষার হইয়া উঠ্বে। তাহা হইলে দেখা যাইতেছে যে এই আগন্ক ধর্ম ছন়া আমাদের আত্মার স্বভাবগত ধম আছে, জৈনদার্শনিকগণের মতে তাহ! চারিটী-__অনন্তজ্ঞান, অনস্তদর্শন, অনস্তবীর্য অনন্তস্থখ | কঠোর তপন্ত্যার দ্বারা আত্ম! যখন কমরপুদ্গল হইতে সম্যগভাবে মুক্ত হয়, তখন সহদ্দেই আত্মার স্বরূপ প্রকাশ পায় মোকঙ্গাবস্থার প্রাপ্তি হয়। আত্মার এইরূপ উৎকর্ষ লাভ হইলে সে তীর্থংকর নামে অভিহিত হয়।৩ কমক্য়ের দ্বারা যে আত্মা উৎকর্ষ লাত করে তাহ! ছুইভাগে বিভক্ত, সশরীর এবং অশরীর; যে সমস্ত অশরীরী আত্ম! নির্বাণ ল'ত করিয়া! অলোকাশে অনন্ত সখ উপভোগ করে তাহীদিগকে সিদ্ধ বলে। এখানে মনে রাখিতে হইবে যে জৈনমতে আত্মা উর্ধগতি কিন্ত অলোকাশ লান্ভের পর গতিরছিত হুইয়! যাঁর, টি আবার দুইভাগে বিভক্ত করা হয়, তীর্ঘংকর সিদ্ধ সামান্য সিদ্ধ | তীর্থংকরসিদ্ধের! সশরীরাবন্থায় ধমেণপদেশ তত্বের সন্ধান দিয়া

থাকেন এবং শরীর ত্যাগের পর সিদ্ধের সমপর্যায়ভূক্ত হন। সামান্যসিদ্ধগণ কোনরূপ উপদেশাদি দেন না, পরস্থ দেহত্যাগের পর সিদ্ধরূপ লাভ করেন। পূর্বেই বলা হইয়াছে যে কমক্ষয়োপশম হইলে আত্মা'মুক্তাবস্থ। প্রাপ্ত হয়। সেই আত্মা

সশরীরী অশরীরী এই ছুইভাগে বিভক্ত | সশরীরীগণকে অর্থৎ বল! বলা হয়, এবং তাহাদিগকেই জৈনগণ ঈশ্বর বলিয়! স্বীকার করেন; তাহা ছাড়া ন্যায় যোগদর্শনের মত তাহার] ঈশ্বর স্বীকার করিতে চান না। এছাড়া জৈনগণের আচার্ধ, উপাধ্যায় সাধু আছেন। আচার্ধদের

বন্তিশটা, উপাধ্যায়ের পঁচিশটী সাঁধুদের আটাশটী গুণ থাকে সিদ্ধ, অর্থৎ আচার্য, উপাধ্যায় সাধু এই পাঁচজনকে সম্মিলিতভাবে জৈনগণ গঞ্চ-

(১) মহামহোপাধ্যায় বিধুশেখর শান্ীর বঙ্গীয় সাহিত্য-সশ্মিলনের দ্বাবিংশ অধিবেশনে (কুমিল) দর্শন-শাখায় পঠিত অভিভাষণের বষ্ঠ পৃষ্ঠা জ্টব্য। (২) কর্মফলবিন্মুকে! উডঢং লোকস্য অস্তমধিগংত| | মো! সববণাঁণু দরিসী লহদি সুহমণিংদিয়মণংতমূ |- ঞ্াস্তিকায় গাঁথা ২৮।

(৩ কেবলদংসনগাণমৃহবিরিউ জো জিঅণংতু। জিনদেউঙগী পরমমুণি পরমপকান্থ মুণংতু ॥--যোগেন্ত্রাচার্ধকৃত পরমাত্মপ্রকাশগাধা, ৩৩৭ জিন দেউ- জৈনদেব --তীর্খংকর

(৪) জেনিং জীবসহাবৌণথি অভাবো। সব্বহা তম্ম। তে হোংতি ভিন্নদেহা সিদ্ধ! বচিগোয়রমদীদা ॥--কুন্দকুন্দাচার্ষকৃত পঞ্চান্তিকায়গাথ] ৩৫। (৪) সর্বজে। জিতরাগাদিদে যন্ত্রেলোকাপুজিতঃ। যখাস্থিতীর্থবাদী দেবোর্হন্‌ পরমেশ্বর; ॥- সরধদর্শনসংগ্রহে আর্ত মতে উদ্ধৃত।

শ্রী

১২. শ্ীভারতী [ দ্বিতীয় বর্ষ --১৩৪৬

পরম বলিয়া অভিছিত করেন, এবং ক্াহাদের উদ্দেষ্ত্ে তাঁহীর' পতিিন লক্ষাধিববার তক্যঞ্জলি প্রদান করেন। ১:

পাপপস্কে নিমগ্ন মান্বগণকে উদ্ধার করিবার জগ্ঘ জৈন রর আবির্ভাব হয়, অবসপিণী কালে চব্বিশ জন তীর্থংকরের আবির্ভাব হইয়াছে। তীর্ঘংকর শবের অর্থ দুইটা তীর্থকে যিনি করেন তিনি তীর্ঘংকর। তীর্থ শবের অর্থ ঘাট; ঘাট দিয়া যেমন লোক অতি সহজেই নদী পার হইয়া যায়, সেইরূপ তীর্থংকর-প্রচার্সিত উপদেশবাঁণী অনুসরণ করিয়া অতি সহজেই ভবনদী পার হইতে পারে বলিয়া তাহাদিগকে তীর্ঘংকর বলা হয়, অথবা তীর্ঘ শবের অর্থ সঙ্য, সাধু, সাধবী, শ্রাবক। এই চ[রিজনকে লইয়া এক একটা ল্য হয়, সেই সজ্ঘের যাহার! কত? তীহাঁদিগকেও তীর্থংকর বলা হইয় থাকে

জৈনদের প্রথম তীর্থংকর খষতদেব বা আদ্দিনাথ--নাভিরাজ তাঁহার পিতা মরুদেবী তাহার মাতা ) ইক্ষাকুবংশে অযোধ্য।র অন্তর্গত বিনীত নামক স্থানে জন্ম), কাহারও মতে উত্তর কাশ্মীরে জন্ম। সে সময়ের রীতি অনুযায়ী তিনি তীছার ভগিনী স্থমঙ্গলাকে প্রথম বিবাহ করেন, দ্বিতীয়বার তিনি ছুনন্দাকে বিবাহ করেন। প্রথম স্ত্রীর গর্ভে তরত ত্রান্ধী এবং দ্বিতীয়ন্ত্রীর গর্ভে বহুবল সুন্দরী জন্মগ্রহণ করেন। ভরত বহুবলের বংশই হুর্য-ও চন্দ্রবংশ বলিয়া! খ্যাত--- এইরূপ চরিতাবলীতে লিপিবদ্ধ আছে তরতের নাম অনুসারেই তীহার রাজ্যের নাম ভারতবর্ষ হয়। খবভদেব পুত্রের হস্তে রাজ্যভার অর্রণ করিয়া মন্ন্যাসধর্ম গ্রহণ করেন, এবং জৈনধমের প্রবত্ন করেন। তাহার দেহের পরিমাণ ছিল পাঁচ শত ধন, রং ছিল সোনার মত। আমুদ্ষাল ছিল ৮,৪৯০১০০০ পূর্ব, নির্বাণলাভের স্থান কৈলাদ পর্ত-_মতান্তরে অষ্টপদ পর্বত বাহন ছিল বৃষভ।

দ্বিতীয় তীর্থংকরের নাম অজিতনাথ। বাঁঞ্জা জিতশক্র তীঁহার পিতা, রাণী বিজয়াদেবী তাহার মাতা, আদিনাথের জণ্গের পঞ্চাশ লক্ষ কোটা সাগর পরে ঈক্ষণাকুবংশে, অযোধ্যায় রোহিণী নক্ষত্রে জন্ম হয়, দেহের পরিমাণ ৪৫* ধনু, স্বর্ণবর্ণ, আযুফ্ধাল ৭২ লক্ষ পূর্ব, নির্বাণ- লাতের স্থান বঙ্গদেশের পরেশনাথ পর্বত, বাহন হস্তী।

তৃতীয় তীর্থংকরের নাম সম্ভব নাথ। তাঁহার পিতা রাঁজা জিতারি, মাতা! সেন! দেবী,

ঘণঘাইকম্মরহিয়া এবং কেবলণাণ! পরমগুণসহিয়া, , চৌতিসঅভিসয়জুত্ত। অরিহংত| এরিস! হোংতি॥-_বুন্কুন্দাচার্যের নিয়মসার ৭১।

(১) অগ্জলি-মন্ত্র “নমে। অরহংতারং, নমো সিদ্ধাণং | নমো আয়ারিযাণং, নমে। উবন্ধায়াণং নমো লোয়ে সব্মসাহ্ণম্”

(২) অবসর্পিণী কালে অধমের প্রভাব খুব বেশী থাকে, উৎসর্পিণী কালে ধমে'র প্রভাব সম্পূর্ণরূপে বিষ্কমান থাকে। জৈনগণ সময়কে একটা কুগুলীকৃত সর্পের সঙ্গে তুলনা করিয়া থাকেন, পৃথিবী যখন সর্পের মুখ হইতে লাঙ্গুলেয় দিগে আমিতে থাকে তখন তাহাকে অবসর্পিণী কাল বল হই! থাকে, আবার লাঙ্গুল হইতে মুখের দিগে গেলে তাহাকে উৎসর্পিণী ধন! হইয়া থাকে। রা

(৩) “যেন প্রশীতং পৃথু ধম তীর্ঘং জোষ্টং জনা: প্রাপ্য জয়ন্ত ছুখম্‌” | - -বৃহতগযতুত্তোত ্।

(৪) অভিধানরাজেজ্র মিস্‌ সিনরেয়ারের “13৩81 ০£]515181% জষ্টবা।

প্রথয় সংখ্যা] . জৈনীর্থকর ১৩

অজিত নীথের অদ্মের ত্রিশ লক্ষ কোটা সাগর পরে ঈক্ষ ণকুবংশে শ্রীবন্তী নগরে পূর্বাধাঁঢ় নক্ষত্র জন্ম হয়, দেহের পরিমাণ ছিল ৪*০ ধনু, স্বর্ণবর্” আয়ুফাল ছিল ৬* লক্ষ পূর্ব, নির্বাণলাভের স্থান সমেতাশিখর (বর্তমান পার্শবনাথ পর্বত ) তাঁহার বাহন অশ্ব।

চতুর্থ তীর্ঘংকরের নাম অতিনন্দননাথ। রাজা সম্বর তাহার পিতা রাণী সিদ্ধার্থা। তাহার মাতা, সম্ভবনাথের জন্মের ত্রিশ লক্ষ কোটা সাগর পরে, অযোধ্যায় ঈক্ষাকুবংশে পুর্ন নক্ষত্রে জন্মগ্রহণ করেন, উচ্চতা ৩৫০ ধন্ু/ন্বর্ণবর্ণ, আমুফ্ধাল ৫০ লক্ষ পুর্ব, নির্বাণলাভের স্থান সমেত শিখর, তাহার বাহন বানর

পঞ্চম তীর্থংকরের নাম গ্ুমতিনাথ-_তাহার পিতা ছিলেন রাঁজা মেঘগ্রভ, মাতা ছিলেন মঙ্গলা, অভিনন্দন নাথের জন্মের নয় লক্ষ কোটা সাগর পরে, অযোধ্যাতে ঈক্ষণাকু বংশে মঘ! নক্ষত্রে তাঁহার জন্ম, দেহের পরিমাণ ছিল ৩০* ধনু, স্বর্ণবর্ণ আমুফ্ধাল ৪* লক্ষ পূর্ব, নির্বাণ- লাভের স্থান সমেতাশিখর, বাহন ক্রৌঞ্চ।

* যষ্ঠ তীর্থংকরের নাম পদ্ধাগ্রভ। তাঁহার পিত] ছিলেন রাজ! প্রতিষ্ঠ, মাতা ছিলেন রাণী সুসীমা, আুমতিনাঁথের জন্মের নব্বই হাজার কোটা সাগর পরে কৌশাম্বীতে ঈক্ষ1কুবংশে চিত্রা- নক্ষত্রে জন্ম লাত করেন। দেহের পরিমাণ ছিল ২৫* ধন্ধু, রক্তবর্ণ, আমুফ্কাল ত্রিশলক্ষ পূর্ব, নির্বাণন।ভের স্থান সমেত শিখর, তাঁহার লাঞচন ছিল রক্তপন্ন।

সপ্তম তীর্ঘংকরের নাম স্ুপার্থনাথ | রাজ! গ্রাতিষ্ঠ পিতা, রাণী পুথিবী মাতা, পদ্মপ্রভের জন্মের ৯*** কোটা সাগর পরে ইক্ষ/কুবংশে ক।শীধাঁমে বিশাখা নক্ষত্রে জন্ম, দেহের পরিমাণ

২** শত ধনু, স্ব্ণব্ণ ( দিগম্বরদিগের মতে হরিদর্ণ ) আযুঙ্গাল বিশলক্ষ পূর্ব, নির্বাণলানের স্থান সমেতশিখর, লাঞ্ছন স্বস্তিক।

অষ্টম তীর্ঘংকরের নাম চন্্রপ্রভ | রাজা মহাসেন পিতা, র|ণী লক্ষণা মাঁতা, সপার্খনাথের জন্মের ৯** কোটা সাগর পরে ইঙ্গ/কুবংশে চন্ত্রপুরীতে অম্থ্রাধ! নক্ষত্রে জন্ম, দেহের পরিমাণ ১৫০ ধনু, শুত্রকাস্তি, আযুফ্ধাল দশ লক্ষ পূর্ব। নির্বাণলাভের স্থান সমেতশিখর, লাঞ্ছন চন্ত্র।

নবম তীর্থংকরের নাম পুষ্পদস্ত বা স্ুবিধিনাথ। রাজা সুপ্রিয় পিতাঁ, রাণী রাম! মাত, চন্ত্রপ্রতের জন্মের ৯০কোটা সাগর পরে ইক্ষকুবশে কাকন্দীতে মূলা নক্ষত্রে জন্ম, দেহের

পরিমাণ ১** ধনু, শুত্রকান্তি, আয়ুক্কাল ছুইলক্ষ পূর্ব, নির্বাণলাভের স্থান সমেতশিখর, মকর লাঞ্চন। দশম তীর্থংকরের নাম শীতলনাথ | রাজা দৃঢ়রথ পিতা, রাণী নন্দা মাতা, পুষ্পদস্তের জন্মের কোটী, সাগর পরে ইক্ষাাকুবংশে তদিল! পুরীতে পূর্বাধাঁঢ নক্ষত্রে জন্ম, দেহের পরিমাণ ৯* ধু, ব্কাস্তি আয়ু্কাল ১লক্ষ পূর্ব, নির্বালাতের স্থান সমেতশিখর, শ্রীবৎস লাগুন। একাদণ তীর্থংকরের নাম শ্রেয়াংসনাথ। রাজা বিষুলেন পিতা, রাণী বিষ্কা মাতা, _শীতলনাথের জন্মের এক কোটা সাগয় পরে ইক্ষাকৃবংশে কাশীধামের নিকট সিংহপুরে, শ্রবণা-

শপ আপ

শে পি পিউ জা

যা “আবু প্রদেশের বলরাম রাম পুরের সন্নিহিত ৰরমান প্নমেত : কা কিলা” নামক স্থান, -180160106 ০1

4201910.

১৪ শ্ীভারতী [ দ্বিতীয় বর্ষ--১৩৪৬

মক্ষত্রে জদ্ম, দেছের পরিমাণ ৮০ ধন, হবরণবর্ণ, আযুফাল ৮৪ লক্ষ বৎসর, নির্বাণলাভের স্থান সমেত" শিখর, বাহন গরুড়।

দ্বাদশ তীর্থংকরের নাম বানুপৃজ্য। রাজ। বন্থুপূজ্য পিতা, বাণী জয় মাতা, শ্রেয়াংসনাথের জন্মের ৫৪ সাগরপরে ইক্ষাকুবংশে চম্পাঁপুরীতে শতভিষা নক্ষত্রে জম্ম, দেহের পরিমাঁণ ৭* ধনু, রক্তবর্ণ, আমুফ্কাল ৭২ লক্ষ বৎসর, নির্বাণলাতের স্থান চম্পাপুরী, বাহন মছ্িষ।

ত্রয়োদশ তীর্থংকরের নাম বিমলনাথ। রাজা কৃতবর্ম পিতা, রাণী শ্ামা মাতা, বাহ্ছপুজ্যের জন্মের ত্রিশ সাগর পরে ইক্ষ/কুবংশে কাম্পিল্যপুরে উত্তরাষাঢ় নক্ষত্রে জন্ম, দেহের পরিমাণ ৬* ধনু, স্ব্ণবর্ণ, আমুফ্ষাল ৬* লক্ষ বৎসর, নির্বাণলাতের স্থান পরেশনাথ বাহন, বরাহ।

চতুর্শি তীর্থংকরের নাম অনন্তনাথ| রাজা সিংহসেন পিতা, রাণী হুশ মাতা॥ বিমলনাথের জন্মের সাগর পরে ইঙ্গাকুবংশে অযোধ্যাতে রেবতী নক্ষত্রে জন্ম, দেহের পরিমাণ ৫০ ধনু, স্বরবর্ণ, আমুফ্ধাল ত্রিশ লক্ষ বৎসর, নির্বাণলাতের স্থান সমেতশিখর, বাহন শ্তেন পক্ষী |

পঞ্চদশ তীর্থংকরের নাঁম ধর্মনাথ। রাজা ভাম্ক পিত1 রাণী হ্ুব্রতা মাত, অনস্তনাথের জন্মের সাগর পরে ইক্ষীকুবংশে অযোধ্যার নিকট রত্বপুরীতে পুষ্য। নক্ষত্রে জন্ম, দেহের পরিমাণ, ৪৫ ধনু, স্বর্ণবর্ণআয়ুফ্লাল ১* লক্ষ বদর, নির্ধাণলাতের স্থান সমেতশিখর, লাঞ্ুন বজ্রদ্ড।

ষোড়শ তীর্থংকরের নাম শান্তিনাথ। রাজা বিশ্বসেন পিত! রাণী অচিরা মাতার

ধমনাথে, জন্মের তিন সাগর পরে ইক্ষাকুবংশে হস্ডিনাপুরে ভরণী নক্ষত্রে জন্ম, দেহের পরিমাণ ৪০ ধনু, স্ব্ণবর্ণ, আয়ুঙ্জাল এক লক্ষ বৎসর' নির্বাণলাভের স্থান মমেতশিখর, বাহন মুগ

সপ্তদশ তীর্থংকরের নাম কুখনাথ। রাজা! শূর পিতা, রাণী শ্রীদেবী মাতা, শাস্তিনাথের জন্মের অর্ধ পল্য পরে ইক্ষণাকুবংশে হস্তিনাপুরে কৃত্তিকানক্ষত্রে জন্ম, দেহের পরিমাণ ৩৫ ধনু, র্ণবর্ণ, আযুগ্ধাল ৯৫১*** বৎসর, নির্বাণলাভের স্থান সমেতশিখয়, বাহন ছাগ।

অষ্টাদশ তীর্ঘংকরের নাম অরনাথ। রাজা সুদর্শন পিতা, রাণী দেবী মাতা, কুখনাথের

জন্মের পল্য পরে, ইক্ষাকুবংশে, হস্তিনাপুরে, রোহিণী নক্ষত্রে জম্ম, দেহের পরিমাণ ত্রিশ

ধনু, রণ আম়ুফ্াল ৮৪** বৎসর, নির্বাণলাতের স্থান সমেতশিখর, লাঞগন নন্দ্যাবর্ত।

উনবিংশ তীর্থংকরের নাম মন্পনাথ। রাজ! কুস্তের কন্ঠা, প্রভাবতী মাতা, অরনাথের জন্মের ১,০** কোটা বৎসর পরে ইক্ষঠাকুক*শে মথুরাতে অশ্বিনী নক্ষত্রে জন্ম, দেহের পরিমাণ ধর্ু, নীলবর্ণ, আযুদ্ধাল ৫৫১০০ বৎসর, নির্বাণলাভের স্থান সমেতশিখর, লা্ছন কুস্ত।

বিংশ তীর্থংকরের নাম যুনিম্ুব্রত। রাজা সুমিত্র পিতা, রাণী পন্মাবতী মাতা, মল্লিনাথের জম্মের ৫৪ লক্ষ বৎসর পরে হরিবংশে রাঁজগৃহে শ্রবণানক্ষত্রে জন্ম, দেছের পরিমাণ ২০ ধনু, রুষ্ণবর্ণ, আয়ুফ্কীল ৩*১*০* বৎসর, নির্বাণলাভের স্থান সমেতশিখর, বাহন কৃর্ম।

৯১। ভাগলপুরের নিকট বত'মান নাথপুর--1: 5 ০/০০ 0০4৮1 06 (010871285০০ & গা ৪১০০ 818881201,

4 2০010815 /১0শ0 050851) ০1110, 55০6 ৬০1. []| দষ্টব্য। ২। দন্বস্তিকঃ সর্বতৌভদ্রঃ মন্দ্যাবতদয়োহূপি চ"--অমরকোষ।

গ্রথম সংখ্যা] জৈন-তীর্থংকর ১৫

একবিংশ তীর্ঘংকরের নাম নমিনাথ। রাঙা বিজয় পিতা রাণী বিপ্রা মাতা, মুনিন্্রতের জন্মের লক্ষ বৎসর পরে ই্ষাকুবংশে মধুরাতে অ্ষিনী নক্ষত্রে জগ্ম দেহের পরিমাণ ১৫ ধনু, ্বর্ণবর্ণ, আমুফ|ল ১১০০০ বৎসর নির্বাণলাতের স্থান সমেতশিখর, লাঞ্ছন নীলোৎপল।

দ্বাবিংশ তীর্থংকরের নাম নেমিনাথ বা অরিষ্টনেমি। রাজা সমুদ্রবিজয় পিতা দেবী শিবা মাতা, নমিনাথের জন্মের লক্ষ বৎসর পরে, হরিবংশে দ্বারকাঁতে চিত্র! নক্ষত্রে জন্ম, দেছের পরিমাণ ১০ ধনু, কৃষ্ণবর্ণ, আমুফ্কাল ১,*০* বৎসর, নির্বাণলাভের স্থান গীর্ণার পর্বত, লাঞ্ছন শঙ্খ

এই পর্যন্ত যে সমস্ত তীর্ঘংকারের নাম কর! গেল তন্মধ্যে একমাত্র আদিনাথ ছাড়া অস্ত কাহারও সম্বন্ধে বিশেষ জ্ঞাতব্য বিষয় লিপিবন্ধ করা নাই। সেইজন্য তীহারের সম্বন্ধে বিস্তৃত" তাবে কিছু জানিবারও উপায় নাই, তবে পার্খনাথ মহাবীর সম্বন্ধে অনেক জ্ঞ(তব্য বিষয় আছে, অন্থসন্ধিৎস্থ পাঠক আকর গ্রন্থ১ হইতে তাহাদের বিস্তত বিবরণ জানিতে পারিবেন স্থানাতাঁবে মোটামুটি এখানে কিছু দেওয়া গেল।

[ত্রয়োবিংশ তীর্থংকরের নাম পার্খশবনাথ। নেমিনাথের জন্মের ৮৪,০০৭ বৎসর পরে অর্থাৎ খুন্টপূর্ব ৮১৭ অন্দেং রাজা অশ্বনাথের ওরসে বাগদেবীর গর্ভে ঈক্ষাকু বংশে পার্বনাথ জন্ম গ্রহণ করেন। ত্রিশ বংসর বয়সে রাজ্য ত্যাগ করিয়! সন্ন্যাস গ্রহণ করেন। তপশ্চর্যার সম্নয় ফণীষুক্ত সর্প তাহার রক্ষী ছিলেন বলিয়! তিনি সর্পলাঞ্চন বলিয়া পরিচিত। এই সম্বন্ধে একটা গল্প শুন" যায়, পার্বনাথের সমসাময়িক কামাথ নামক একজন সোমযাঁজী ছিলেন।